Breaking news

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিনামূল্যে স্কুলের খাবারে ফিরছে ডিম Share
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিনামূল্যে স্কুলের খাবারে ফিরছে ডিম

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিনামূল্যে স্কুলের খাবারে ফিরছে ডিম

ডিমের পরিবর্তে নিরামিষ খাবার পরিবেশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনার পর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার বিনামূল্যে স্কুলের খাবারে আবারও ডিম অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

শিক্ষক, পুষ্টিবিদ ও অভিভাবকদের সমালোচনার পর সরকার এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। তাদের মতে, স্কুলের খাবার থেকে ডিম বাদ দিলে দরিদ্র পরিবারের শিশুরা প্রোটিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস থেকে বঞ্চিত হবে। কলকাতা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

গত মাসে এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। মে মাসে প্রথমবারের মতো রাজ্যে ক্ষমতায় আসা ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-র সরকার কিছু সরকারি স্কুলের খাবার থেকে ডিম বাদ দেয়। এর পরিবর্তে একটি হিন্দু ধর্মীয় দাতব্য সংস্থার মাধ্যমে নিরামিষ খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়।

এ সিদ্ধান্ত বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশে খাদ্য ও ধর্ম নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ককে আবারও উসকে দেয়। সমালোচকদের অভিযোগ, সরকার স্কুলশিক্ষার্থীদের নিরামিষভোজী করে তোলার চেষ্টা করছে।

বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, আগস্ট মাস থেকে স্কুলশিক্ষার্থীদের আবারও ডিম দেওয়া হবে।

নতুন ব্যবস্থায় নারীদের কল্যাণমূলক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে আলাদাভাবে ডিম সরবরাহ করা হবে। একই সঙ্গে ওই দাতব্য সংস্থা ‘বিশুদ্ধ’ নিরামিষ খাবার সরবরাহ অব্যাহত রাখবে।

অধিকারী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আগস্টের ১ তারিখ থেকে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোকে যুক্ত করে রাজ্য সরকার এসব স্কুলে আলাদাভাবে সেদ্ধ ডিম সরবরাহ করবে।’

তিনি বলেন, ‘কিছু অভিভাবক সরকারের কাছে খাবারে ডিম অন্তর্ভুক্ত রাখার অনুরোধ জানান।’

বিজেপি তাদের বৃহত্তর জাতীয়তাবাদী কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রায়ই নিরামিষভোজনকে উৎসাহিত করে। যদিও অধিকাংশ হিন্দুই মাংস ও মাছ খেয়ে থাকেন।

হিন্দুদের কাছে ডিম আমিষ হিসেবে বিবেচিত ও ব্যাপকভাবে খাওয়া হয়।

শিক্ষক ও পুষ্টিবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা খাবারের তালিকা থেকে ডিম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন। তাদের মতে, এটি নিম্ন আয়ের পরিবারের শিশুদের পুষ্টির উন্নতি এবং স্কুলে উপস্থিতি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ভারতে এ ধরণের কর্মসূচি বিনামূল্যের কর্মসূচির মধ্যে স্কুল মধ্যাহ্নভোজ কর্মসূচিটি বিশ্বের সবচেয়ে বড়। শিশুদের স্কুলে ভর্তি বাড়ানো এবং অপুষ্টি ও খর্বাকৃতি সমস্যা কমাতে এ কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি রয়েছে।

বিবিএন২৪/এমআরকে/ ৩০ জুলাই,২০২৬


Published: 2026-07-30 09:49 am   |   View: 1184   |   Share
Advertisement


Copyright © 2017, Design & Developed By Softech



up-arrow