Breaking news

পুরুষদের ৫টি শখ থাকলেই নারীরা বেশি আকৃষ্ট হন Share
পুরুষদের ৫টি শখ থাকলেই নারীরা বেশি আকৃষ্ট হন

পুরুষদের ৫টি শখ থাকলেই নারীরা বেশি আকৃষ্ট হন

 

ভিডিও গেমের হেডসেট সরিয়ে বই হাতে নিলেই নারীদের কাছে পুরুষদের আকর্ষণ বাড়ে। এমন অভ্যাসই সবচেয়ে কার্যকর বলে উঠে এসেছে নতুন এক সমীক্ষায়।

‘ডেট সাইকোলজি’র একটি সমীক্ষায় ৭৪ ধরনের শখ ও অভ্যাস নিয়ে নারীদের মতামত নেওয়া হয়। এতে দেখা যায়, বই পড়ার অভ্যাস রয়েছে এমন পুরুষদের প্রতি নারীদের আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি। অংশগ্রহণকারী নারীদের ৯৮ দশমিক ২ শতাংশই জানিয়েছেন, কোনো পুরুষকে বই পড়তে দেখলে তাঁদের কাছে তা ইতিবাচক ও আকর্ষণীয় মনে হয়।

 

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে প্রকাশিত এই সমীক্ষায় শীর্ষে থাকা শখগুলোর মধ্যে বেশির ভাগই সৃজনশীলতা, দক্ষতা অর্জন কিংবা আত্মোন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত।

নারীদের পছন্দের শীর্ষ পাঁচ শখ—

 

১. বই পড়া (প্রায় ৯৮.২ শতাংশ)
২. বিদেশি ভাষা শেখা
৩. বাদ্যযন্ত্র বাজানো
৪. রান্না করা
৫. কাঠের কাজ বা উডওয়ার্কিং

এ ছাড়া চিত্রাঙ্কন, লেখালেখি, ফটোগ্রাফি, জ্যোতির্বিজ্ঞান, হাইকিং, ব্ল্যাকস্মিথিং ও তিরন্দাজির মতো শখও তুলনামূলকভাবে বেশি পছন্দ করেছেন অংশগ্রহণকারীরা।

সমীক্ষার ফলাফল থেকে ধারণা করা হচ্ছে, নতুন কিছু শেখা, সৃজনশীল কাজে যুক্ত থাকা কিংবা শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার মতো অভ্যাস পুরুষদের প্রতি নারীদের ইতিবাচক ধারণা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

যে অভ্যাসগুলো সবচেয়ে কম আকর্ষণীয়

সমীক্ষার বিপরীত প্রান্তে রয়েছে কিছু অভ্যাস, যেগুলো নারীদের কাছে তুলনামূলকভাবে বেশি অপছন্দনীয়। এর মধ্যে রয়েছে নারীবিদ্বেষী অনলাইন সংস্কৃতি বা ‘ম্যানোস্ফিয়ার’ এর সঙ্গে যুক্ত থাকা, পর্নোগ্রাফি দেখা, জুয়া খেলা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কমেন্টে অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে জড়ানো।

ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন, কসপ্লে ও কমিক বই সংগ্রহের মতো শখও অধিকাংশ অংশগ্রহণকারীর কাছে খুব একটা আকর্ষণীয় হিসেবে বিবেচিত হয়নি। ফাঙ্কো পপ ফিগার সংগ্রহ, অতিরিক্ত মদ্যপান ও নিয়মিত নাইটক্লাবকেন্দ্রিক জীবনযাপনও তালিকার নিচের দিকে রয়েছে।

ডেটিং কোচ কোর্টনি রায়ানের মতে, মদ্যপান বা নাইটক্লাবিংকে জীবনের প্রধান বিনোদন হিসেবে নেওয়াকে অনেক নারী অপরিণত আচরণ হিসেবে দেখেন।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কাউকে আকৃষ্ট করার জন্য কৃত্রিমভাবে কোনো শখ তৈরি করার চেয়ে নিজের পছন্দের কাজে সত্যিকারের আগ্রহ থাকাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দীর্ঘমেয়াদে একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব ও নিজস্ব আগ্রহই সম্পর্কের ক্ষেত্রে বেশি প্রভাব ফেলে।

তবে এই ফলাফলকে ব্যক্তিগত পছন্দের চূড়ান্ত মাপকাঠি না ধরে, সমীক্ষাটির পদ্ধতি ও নমুনার সীমাবদ্ধতা যাচাই করলেই এর দাবির নির্ভরযোগ্যতা স্পষ্ট হবে।

বিবিএন২৪/এমআরকে/১৮ আগস্ট ২০২৬


Published: 2026-08-18 04:03 am   |   View: 1176   |   Share
Advertisement


Copyright © 2017, Design & Developed By Softech



up-arrow